সংক্ষেপে
- নো বলের নিয়ম আসে MCC আইনের ধারা ২১ থেকে; সামনের পা পপিং ক্রিজের পেছনে না থাকলে নো বল, পরের বলে ফ্রি হিট।
- ডিএলএস পদ্ধতি বাকি ওভার আর হাতে থাকা উইকেট মিলিয়ে “রিসোর্স” হিসাব করে নতুন লক্ষ্য ঠিক করে।
- টেস্টে এক ইনিংসে ৯ উইকেট হয়েছে ১৭ বার, ১৬ জন বোলারের হাতে; ১০ উইকেট নিয়েছেন মাত্র তিনজন।
- বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ওয়ানডেতে ২৩ ম্যাচে আফগানিস্তান ১২, বাংলাদেশ ১১ জয়।
খেলা দেখতে বসে অনেক সময় প্রশ্ন জাগে: আম্পায়ার হাত বাড়িয়ে কেন নো বল দিলেন, বৃষ্টির পর লক্ষ্য হঠাৎ কম হলো কীভাবে, কিংবা কোনো বোলার এক ইনিংসে ৯ উইকেট নিলে সেটা কতটা বিরল। এই গাইডে আমাদের সাইটের নিয়ম ও রেকর্ড-বিষয়ক লেখাগুলোর মূল কথা এক জায়গায় সাজানো হয়েছে। প্রতিটি অংশে সংক্ষেপে মূল তথ্য, আর বিস্তারিত জানতে নিচে সংশ্লিষ্ট লেখার লিংক।
এক নজরে
| বিষয় | মূল তথ্য |
|---|---|
| নো বলের আইন | MCC আইন ২১; পরের বলে ফ্রি হিট |
| ডিএলএস-এ ফল পেতে ন্যূনতম ওভার | ওয়ানডেতে প্রতি দলে ২০, টি-টোয়েন্টিতে ৫ |
| টেস্টে এক ইনিংসে ৯ উইকেট | ১৭ বার, ১৬ জন বোলার |
| টেস্টে এক ইনিংসে ১০ উইকেট | লেকার, কুম্বলে ও আজাজ প্যাটেল |
| বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ওয়ানডে | ২৩ ম্যাচ: আফগানিস্তান ১২, বাংলাদেশ ১১ |
নো বল কখন হয় আর এরপর কী হয়
নো বলের নিয়ম ঠিক করা আছে MCC-র ক্রিকেট আইনের ধারা ২১-এ। সবচেয়ে পরিচিত কারণ হলো ফ্রন্ট ফুট: বল ছাড়ার মুহূর্তে বোলারের সামনের পায়ের কিছু অংশ পপিং ক্রিজের পেছনে না থাকলে সেটা নো বল। কোমরের ওপরে ফুলটস, যাকে “বিমার” বলা হয়, সেটাও নো বল। আম্পায়ার এক হাত পাশে বাড়িয়ে সংকেত দেন, আর সীমিত ওভারের খেলায় পরের বলটি হয় ফ্রি হিট।
নো বল কত প্রকার আর নো বলে কোন কোন আউট হয়, পুরোটা: নো বলের নিয়ম: কত প্রকার, কখন হয় ও কোন আউট আছে।
বৃষ্টি নামলে ডিএলএস পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে
ডিএলএস মানে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন; মূল পদ্ধতিটি পরে স্টিভেন স্টার্ন হালনাগাদ করেন বলে নামের শেষে তাঁর নাম যুক্ত হয়েছে। এই হিসাবে একটি দলের “রিসোর্স” হলো বাকি ওভার আর হাতে থাকা উইকেট, দুটো মিলিয়ে। বৃষ্টিতে ওভার কাটা পড়লে দুই দলের রিসোর্সের অনুপাতে লক্ষ্য নতুন করে ঠিক হয়। তবে ফল ঘোষণার জন্য ওয়ানডেতে প্রতিটি দলকে অন্তত ২০ ওভার আর টি-টোয়েন্টিতে অন্তত ৫ ওভার ব্যাট করতে হয়।
উদাহরণসহ সহজ ব্যাখ্যা: ডিএলএস মেথড কী? বৃষ্টি আইনের সহজ ব্যাখ্যা।
টেস্টে এক ইনিংসে ৯ উইকেট: কতটা বিরল
টেস্ট ইতিহাসে এক ইনিংসে ৯ উইকেট নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৭ বার, করেছেন ১৬ জন বোলার। মুত্তিয়া মুরালিধরনই একমাত্র বোলার যিনি এটা দুবার করেছেন। আর ইনিংসের সব ১০ উইকেট নিয়েছেন মাত্র তিনজন: জিম লেকার, অনিল কুম্বলে ও আজাজ প্যাটেল। তালিকাটি ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী।
সব বোলারের নাম, প্রতিপক্ষ ও সাল: টেস্টে এক ইনিংসে ৯ উইকেট: পুরো তালিকা।
বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ওয়ানডে রেকর্ড
দুই দল ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে ২৩ বার; আফগানিস্তান জিতেছে ১২টি, বাংলাদেশ ১১টি। প্রথম দেখা ১ মার্চ ২০১৪, ফতুল্লায়, আফগানিস্তান জেতে ৩২ রানে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় ১৪১ রানে (মিরপুর, ২০১৬), আফগানিস্তানের ২০০ রানে (আবুধাবি, ১৪ অক্টোবর ২০২৫)। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৯ ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে ২টি। শেষ পাঁচটি ম্যাচই জিতেছে আফগানিস্তান, সর্বশেষটি ২১ অক্টোবর ২০২৬ শারজাহতে, ৭ উইকেটে।
ম্যাচ-ভিত্তিক তালিকা ও ব্যক্তিগত রেকর্ড: বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ওয়ানডে: মুখোমুখি রেকর্ড।
কীভাবে এই গাইড ব্যবহার করবেন
দ্রুত কোনো সংখ্যা মিলিয়ে নিতে ওপরের সারণি দেখুন। নিয়মের খুঁটিনাটি, উদাহরণ আর ম্যাচ-ভিত্তিক তালিকার জন্য সংশ্লিষ্ট লেখায় যান। নতুন রেকর্ড হলে আগে মূল লেখাগুলো হালনাগাদ হয়, তারপর এই পাতা।
তথ্যসূত্র: এই সাইটের সংশ্লিষ্ট লেখাগুলো (প্রতিটির ভেতরে মূল উৎস দেওয়া আছে)। যাচাই: ২৭ অক্টোবর ২০২৬।